Showing posts with label Daily Science. Show all posts
Showing posts with label Daily Science. Show all posts

Wednesday, June 06, 2012

সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্য লাল দেখায় কেন ?


সূর্যাস্ত
                                                                   

সূর্যের আলো পৃথিবীর যে অংশে পড়ে সেখানে দিন হয় কিন্ত যতই দিন গড়ায় ততই সূর্যের রঙ বদলায় । সূর্যের এই রঙ বদলের সবচেয়ে সুন্দরতম সময় বুঝি সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত । সে সৌন্দর্য দেখতে কত পর্যটকইনা ভিড় করেন সমুদ্র পাড়ে । কিন্ত আমরাকি জানি কেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় এমনটা হয় ? আসলে সূর্যের যে সাদা আলোটি আমরা দেখি সেটি মূলত সাতটি রঙের মিশ্রণ । এগোলু হল বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল । সংক্ষেপে বেনিআসহকলা । এই সাতটি রঙ এর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম আর লাল আলোর সবচেয়ে বেশি ।সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্য দিগন্তের কাছাকাছি থাকে । দুপুরে সূর্য যখন আমাদের মাথার উপরে থাকে তখন সূর্যালোককে ধূলিকণা, পানিকণাপূর্ণ বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যতটা পথ অতিক্রম করতে হয় দিগন্ত রেখা দিয়ে এই সূর্যরশ্মিকে বায়ুমণ্ডলের পুরুস্তর ভেদ করতে হয় তার অনেক গুণ বেশি। তাই বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা, পানিকণায় ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নীল ও এর কাছাকাছি বর্ণগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয় এবং এরা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে । কিন্ত লাল বর্ণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হাওয়ায় তা সোজাসোজি পৃথিবীতে চলে আসে । আর তাইতো আমরা উপভোগ করতে পাড়ি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের রক্তিম আভা ।  

Tuesday, April 24, 2012

ভারী পানি ( Heavy Water ) D2O সমাচার ।


দুই পরমানু ভারী হাইড্রজেন ও এক পরমানু অক্সিজেন মিলে তৈরি হয় Heavy Water বা ভারী পানি । এই ভারী হাইড্রোজেন মূলত হাইড্রোজেন এর একটি আইসোটোপ যাতে একটি নিউট্রন বেশি থাকে । আর তাই এটি সাধারণ পানি অপেক্ষা ভারী হয় । ভারী পানি সাধারণ পানি অপেক্ষা শতকরা ১১ ভাগ বেশি ঘন ।  সাধারণ পানিতে  প্রতি টনে প্রায় ১৫০ গ্রাম ভারী পানি থাকে । এর গলনাঙ্ক ৩.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং স্ফটনাংক ১০১.৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস । 

ভারী পানির ব্যাবহার :

১। ভারী পানি আনবিক চুল্লিতে দ্রতগামী নিওট্রন এর গতি মন্থর করতে ব্যবহৃত হয় ।

২। ডিউটরিয়াম উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় ।

৩। পারমানবিক শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় ।

এছাড়াও Semi-heavy Water নামে আর ও এক প্রকার পানি আছে যা একটি হাইড্রোজেন , একটি ডিওটরিয়াম ও অক্সিজেন পরমানু সমন্বয়ে গঠিত ।

Monday, April 23, 2012

মশা নিবারণে গাছ

সাইট্রনেলা

 মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ যারা তাদের জন্য আজ এক আজব গাছের কথা বলবো যা মশা তাড়াতে পারে । গাছটির নাম সাইট্রনেলা (Pelargonium graveolens Citrosa) । এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ যা আপনি খুব সহজেই বারান্দায় কিংবা বাসার সামনে লাগাতে পারেন । এই গাছটি দারুণ গন্ধ ছড়ায় এবং জন্মাতে কম পানি ও সারের প্রয়োজন হয় । গাছটি খরা প্রতিরোধী ও বটে । আমেরিকার বিজ্ঞানীরা এটি আবিষ্কার করেছেন । এ ধরনের মাত্র ৬-৭ টি গাছ  এক একর জায়গাকে মশা মুক্ত রাখতে পারে।





Sunday, April 22, 2012

লজ্জাবতী গাছের পাতা স্পর্শ করলে সংকোচিত হয়ে যায় কেন ?


লজ্জাবতী গাছ
লজ্জাবতী গাছ খুব স্পর্শকাতর । লজ্জাবতীর পাতা স্পর্শ করলে এর পাতলা আবরণের কোষ থেকে জল কনা কাণ্ডে চলে যায় । কারন এর ফলে গাছের কাণ্ডে এক ধরনের উদ্দিপনা তৈরী হয় যা পটাশিয়াম আয়ন কে ত্যাগ করে । এই পটাশিয়াম আয়ন পাতার টারগার প্রেসার কমিয়ে দেয় । টারগার প্রেসার এর ফলে পাতা থেকে পানি অপসারিত হয় ।এর ফলে কোষগুলো সংকুচিত হয় এবং দৃঢ়তা হারিয়ে ফেলে । এজন্য পাতাগুলো সঙ্কুচিত হয় ।

Saturday, April 21, 2012

অনেক গাছ কীটপতঙ্গ খায় কেন ?

সুর্যশিশির
লতানো উদ্ভিদ খাদ্যের নাইট্রোজেন এর অভাব পুরণ করার জন্য কীটপতঙ্গ ধরে । সাধারনত ছোট কীটপতঙ্গ ধরার জন্য গাছের পাতা পতঙ্গের চারপাশে ব্লাডার এর রূপ নেয়। পতঙ্গ মারা গেলে তার পচে যাওয়া রস থেকে তারা খাদ্য গ্রহণ করে । এজন্য তাদের বিশেষ বিশেষ শারীরিক গঠনের প্রয়োজন হয় । বাংলাদেশে এ ধরনের গাছের মধ্যে ঝাঁঝি, সুর্যশিশির উল্লেখযোগ্য ।

সূর্যের তাপে গাছের পাতা উত্তপ্ত হয় না কেন ?


পত্ররন্ধ্র




দিনেরবেলা সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরি করার জন্য গাছের পাতা কে সূর্যের উপর নির্ভর করতে হয় । সূর্যের প্রচণ্ড তাপে গাছের পাতা উত্তপ্ত বা শুকিয়ে যাওয়ার কথা কিন্ত তা হয় না । কারন গাছের পাতার নিচের অংশে অনেক পত্ররন্ধ্র থাকে যা দিয়ে গাছ অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্প ত্যাগ করে। সূর্যের তাপে পাতার পানি ক্রমাগত বাষ্প হয়ে বাইরে বেরিয়ে যায় আবার মূল থেকে পানি ক্রমাগত পাতায় উঠে আসে। উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায় জলীয়বাষ্প বেরিয়ে যাওয়ার এ পদ্ধতিকে প্রস্বেদন বলে। আর এর কারনেই সূর্যের প্রচণ্ড তাপে গাছের পাতা উত্তপ্ত হয়ে কিংবা শুকিয়ে যায় না। 








Text Widget

Labels

Labels

Search This Blog